ফরিদপুরের সালথায় তিন মাদরাসাছাত্রীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগকে কেন্দ্র করে দুই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দাদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন। এ সময় দুটি দোকান ভাঙচুর করা হয় এবং একটি খড়ের গাদায় আগুন দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) বিকেল ৫টা থেকে প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে এ সংঘর্ষ চলে। আহতদের মধ্যে গুরুতর কয়েকজনকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের বিভাগদী গ্রামের তিন শিক্ষার্থী রামকান্তপুর ইউনিয়নের রামকান্তপুর গ্রামের একটি মহিলা মাদরাসায় পড়াশোনা করেন। মঙ্গলবার বিকেলে মাদরাসা থেকে বাড়ি ফেরার পথে রামকান্তপুর গ্রামের তিন যুবক তাদের উত্ত্যক্ত করেন বলে অভিযোগ ওঠে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বিভাগদী গ্রামের কয়েকজন যুবক ওই তিন যুবকের পথরোধ করে মারধর করেন। পরে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের বাসিন্দারা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এ সময় দুটি দোকান ভাঙচুর করা হয় এবং একটি খড়ের গাদায় আগুন দেওয়া হয়।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এ ঘটনায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জি বাংলা ডেস্ক